চুল পরা ঠেকাতে প্রাকৃতিক ঔষধ

HAIR FALL-2আমরা চুল পরা থেকে মুক্তি পাওার জন্য অনেক কিছুই তো চেষ্টা করে দেখেছি। আসুন এবার প্রাকৃতিক উপায়ে আদার রস অন্যমত শক্তিশালী একটি ভেষজ উপাদান, যা চুলের সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে কার্যকর। আগেরকার দিনে চুলের খুশকি দূর করতে, চুল পড়া কমাতে এবং নতুন চুল গজাতে মাথায় আদার রস ব্যবহার করা হতো।

আদার রস চুলের জন্য উপকারী এর প্রধান কারণ হলো এর পুষ্টিগুণ ও এসিডিক বৈশিষ্ট্য। বেশি মাত্রার এসিডের কারণে এটি চুলের যেকোনো সমস্যা সমাধান করতে পারে। কীভাবে আদার রস ব্যবহার করবেন এবং এটি চুলের জন্য কতটা কার্যকরী সে সম্বন্ধে লাইফস্টাইল বিষয়ক বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

চলুন, একনজরে জেনে নিন আদার রস চুলের কোনো কোনো সমস্যার সমাধান করে-Control-Hair-Loss-Naturally আদায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা চুলের গোড়া মজবুত করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।নানা কারণেই চুলে খুশকি হয়। এর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস, চুলে তেলের ঘাটতি অথবা অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা-ধুলাবালি বেশি দায়ী।

এ ক্ষেত্রে আদার রস বেশ কার্যকরী। আদার রসের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ভেজা চুলে লাগান। এটি খুশকির ছত্রাককে একেবারে দূর করে দেয়। অথবা এক টেবিল চামচ লেবুর রসের সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে চুলে লাগাতে পারেন। তেলের মতো করে পুরো চুলে লাগান। চুলের গোড়ায় দেওয়ার দরকার নেই। ১৫ মিনিটের বেশি রাখবেন না। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন, খুশকি ধীরে ধীরে দূর হয়ে যাবে।দুই টেবিল চামচ আদার রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে তেলের মতো করে চুলে লাগান। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল পরা অনেকটা কমে যাবে।

তিন টেবিল চামচ আদার রসের সঙ্গে এক টেবিল চামচ জোজোবা অয়েল এবং এক চা চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক পুরো চুলে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল নরম ও মসৃণ হবে।

ঘরেই তৈরি ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’

Hair-Straightening-1পার্লারে কেমিক্যাল জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করে চুল স্ট্রেইট বা রিবন্ডিং করা হয়, যা চুলের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরেই তৈরি করা যায় ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’ চুল সোজা করার মাস্ক। কোন প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই কাজ করবে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি।

মাস্ক তৈরিতে যা যা লাগবে
১ কাপ নারিকেলের দুধ ৫-৬ টেবিল-চামচ লেবুর রস
২ টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল
৩ টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ (কর্নফ্লাওয়ার)।

তৈরি পদ্ধতি – নারিকেলের দুধ, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প করে কর্নস্টার্চ ওই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। খুব ভালোভাবে মেশাতে হবে যেন কোনো দানা না থাকে।এখন মিশ্রণটি অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে। এসময় প্রতিনিয়ত মিশ্রণটি নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ঘন ক্রিমের মতো হয়ে যাবে।মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বোতলে সংরক্ষণ করুন।গোসলের আগে মিশ্রণটি চুলে লাগান। কিছুটা শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে।সপ্তাহে দু-বার করে টানা দু-মাস ব্যবহার করলেই চুল স্ট্রেইট বা সোজা Hair straight হয়ে যাবে। তাছাড়া এই মাস্ক ব্যবহারে চুল ঝলমলে হয় আর সামলানো সুবিধা হয়। চুল ফাটা বা পড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। তবে নিয়মিত ২-৩ মাস ব্যবহারে ভাল ফল আশা করা যায়।

ওষুধ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতেই হবে

despensaryখাদ্যে ভেজাল, আবহাওয়ার দূষণ আর নানা কারণে প্রতিনিয়তই আমরা কোন না কোন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। আর সে কারণে ডাক্তারের শরনাপন্ন তো হতেই হয়। কিন্তু ডাক্তারের লিখে দেয়া ওষুধ খেয়েও অনেক সময় ফলাফল পেতে দেরী হয় বা পাওয়া যায় না। হয়তো এর জন্যে ডাক্তার নন, আপনিই দায়ী।

হয়তো আপনার কেনা ওষুধটি ছিলো মেয়াদোত্তীর্ণ, অথবা অন্য কোন ওষুধ। এটা কেবল রোগমুক্তিতে দেরীই ঘটায় না বরং কখনো কখনো আপনার জীবন চলে যেতে পারে হুমকির মুখে। আপনার সামান্য ভুলের কারণে প্রাণ বাঁচাবার ওষুধ কেড়ে নিতে পারে আপনার জীবনও।

তাই জেনে নিন ওষুধ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতেই হবেঃ

১। মেয়াদকাল দেখে নিনঃ

ওষুধের প্যাকেটের গায়ে মেয়াদকাল দেখে নিন। মেয়াদোত্তীর্ণ বা মেয়াদ শেষ হবার আর কয়েক মাস বা সপ্তাহ বাকী এ ধরনের ওষুধ কেনা থেকে বিরত থাকুন।

২। প্রেসকিপশন অনুযায়ী কিনুন, দোকানির কথায় বিভ্রান্ত হবেন নাঃ

প্রেসকিপশনে যে ওষুধের নাম ডাক্তার লিখে দিয়েছেন, ঠিক সেই ওষুধটিই কিনুন। অনেক সময় দোকানী নতুন বা নিম্নমানের কোন কোম্পানির ওষুধ কমিশনের লোভে আপনাকে ধরিয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হবেন না।

৩। ইচ্ছেমতন ভিটামিন নয়ঃ

অনেকেই শরীর দূর্বল লাগলেই নিজে থেকে ভিটামিন কিনে খেয়ে থাকেন। এটি ভুলেও করবেন না। শারিরীক দূর্বলতার অন্য অনেক কারণ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধটি খেতে হবে।

৪। একটু কম করে কিনুনঃ

ডাক্তার যদি আপনাকে তিন মাসের ওষুধ খেতে বলেন এবং এক মাসের ভেতর আবারো দেখা করতে বলেন, সেক্ষেত্রে এক মাসের ওষুধই কিনুন। কারণ, এরপর হয়তো ডাক্তার কোন কোন ওষুধ বদলে দিতে পারেন।

এছাড়াও পেইনকিলার বা স্যালাইন জাতীয় যে ওষুধগুলো সচরাচরই প্রয়োজন হয় সেগুলো একগাদা কিনে বাসায় রেখে দেবেন না। কয়েকটি কিনে রাখুন। নয়তো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে যেতে পারে।

৫। দাম যাচাই করুনঃ

ওষুধের প্যাকেটের গায়ে দাম লেখাই থাকে। তাই দোকানীকে দাম পরিশোধ করার আগে যাচাই করে নিন।

৬। সংরক্ষণ পদ্ধতি দেখে নিনঃ

কোন কোন ওষুধ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয় কেননা সূর্যের তাপমাত্রা এগুলোর কার্যকারিতা কমে আসে বা নষ্ট হয়ে যায়। তাই কেনার সময় দেখুন ওষুধটি কি অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল।

৭। ছেঁড়া, খোলা বা ফুটোযুক্ত প্যাকেট নয়ঃ

কেনার সময় খেয়াল করুন ওষুধের প্যাকেট বা পাতাটি ছেড়া, ফুটোযুক্ত বা খোলা কিনা। এ ধরনের কিছু হলে কিনবেন না।

৮। ব্যবহারবিধি জেনে নিনঃ

প্রেসকিপশনে ওষুধের ব্যবহারবিধি লেখাই থাকে। তবুও আরেকবার দোকানীর কাছ থেকেও নিশ্চিত হয়ে নিন কখন, কয়বার, খাবার আগে না পরে ওষুধটি খাবেন।

৯। শুধুই ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ কিনুনঃ

শুধুই ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ কিনুন। পরিচিত, একই রোগের রোগী বা ফার্মেসির কম্পাউন্ডারের পরামর্শে কখনোই ওষুধ কিনবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনাই বেশী। একটু সচেতন থাকলেই আমরা এড়াতে পারি নানা অনাকাংখিত স্বাস্থ্য ঝুঁকি। তাই সচেতন হোন, সুথ থাকুন।

অফিসে উৎকট সাজ নয়

Officeকোন অনুষ্ঠানে কী পোশাক পরবেন, তা আগে থেকেই ঠিক করে নেওয়া প্রয়োজন। উৎসবের সময় যে পোশাক পরে থাকেন তা পরে অফিসে যাওয়া যায় না। অতিরিক্ত উজ্জ্বল রঙের পোশাক, জমকালো ছাপার পোশাক পরে অফিসে যাবেন না।

অফিসে আপনাকে স্মার্ট এবং পরিবেশের উপযোগী দেখানো উচিত। কিছু কিছু অফিসে যেমন খুশি পোশাক পরার স্বাধীনতা থাকলেও আমার মনে হয় অফিসের পোশাকে এক ধরনের শৃঙ্খলা থাকা উচিত। মনে করুন কোনও ব্যাঙ্ক ম্যানেজার যদি জিনস্ আর টিশার্ট পরে অফিসে আসেন, তা হলে কেমন দেখাবে? আপনি কি এমন পোশাক পরা ম্যানেজারকে দেখে বিনিয়োগের কথা ভাবতে পারবেন? তার বদলে যদি স্যুট-টাই পরে তাঁরা অফিসে আসেন, আপনি অনেক বেশি ভরসা পাবেন তাঁকে দেখে। মেয়েদের ক্ষেত্রেও তাই। ব্যাঙ্কের উচ্চপদস্থ মহিলারা যদি গাঢ় রঙের প্যান্ট পরেন বা পেন্সিল স্কার্ট পরেন সাদা শার্টের সঙ্গে তা হলে তাঁদের স্মার্ট দেখায়। এবং আপনিও আর্থিক বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। অফিসের কর্মীদের পোশাকআশাকে এক ধরনের ছিমছাম ভাবা থাকা খুবই জরুরি।

কিন্তু অফিসে যাওয়ার সময় অনেকেই এই সব ভাবনা মনে রাখেন না। বাইরে যে সমস্ত পোশাক পরে যান, সেই পোশাকেই তাঁরা অফিসে চলে যান। তার চাইতে বরং ইস্ত্রি করা শার্ট-প্যান্ট যদি রাখা হয় অফিসে যাওয়ার জন্য, তা হলে বেশ মানানসই হয়। সঙ্গে থাকুক ফর্ম্যাল জুতো।

অফিসে যাওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েদের পোশাকআশাকের বৈচিত্র অনেক। তাঁরা পরতে পারেন শাড়ি, সালোয়ার কামিজ, ইন্দো-ওয়েস্টার্ন, এবং ওয়েস্টার্ন পোশাকআশাক। তবে যে পোশাকই পরুন, তা যেন অতিরিক্ত ঝলমলে না হয়। তবে মুশকিল হল, মেয়েরা অনেক সময়ই অফিসে নানা মিটিংয়ে যাবার আগে বেশি ঝলমলে জামাকাপড়় পরে ফেলেন। আমার একটাই কথা পোশাকআশাক পরার সময় বা়ড়াবা়ড়ি করবেন না। এমন কিছু পোশাক পরবেন না যাতে অন্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়। ক়ড়া পারফিউম, উজ্জ্বল মেক আপ বা বেশি চটকদার, খোলামেলা জামাকাপড় কাজের জায়গায় না পরাই ভাল।

একটা কথা মাথায় রাখবেন। আপনি কী ভাবে কথা বলছেন, আপনার ব্যক্তিত্ব কতটা প্রখর— সেটাই কিন্তু কাজের জায়গার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। পোশাকআশাক কতটা ঝলমলে সেটাতে কিন্তু কিছু যায় আসে না।

পার্টি হোক বা বাড়ির অনুষ্ঠান বা পিকনিক— একেক জায়গার পোশাক নির্বাচন হতে হবে একেক রকম। তবে অফিসের পোশাক পরিচ্ছন্ন, ডিগনিফায়েড হওয়াটা খুব দরকার। চুলের স্টাইলেরও যেন পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে। অতিরিক্ত গয়না পরে ফেলবেন না। মন থাকুক কাজে। বা প্রেজেন্টেশনটা ক্লায়েন্টকে ঠিক ভাবে দিতে পারছেন কি না তার ওপর। পোশাক যদি পরিচ্ছন্ন এবং সম্ভ্রান্ত হয়, তা হলে কাজের জায়গায় ভাবনাচিন্তাটাও স্বচ্ছ হবে। উৎকট সেজে অফিসে যাবেন না।

একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। আমার এক সহকর্মীকে অফিসের পরেই এক গুরুত্বপূর্ণ পার্টিতে যেতে হবে। সে বলেছিল একেবারে সেজেগুজে অফিসে চলে আসবে। ও প্রথমে আমার বাড়িতে এল। সেখান থেকে আমাদের দু’জনের একসঙ্গে অফিস যাওয়ার কথা। আর সে কী ভয়ানক দৃশ্য! অত সকালে চুলে কায়দার বান করা আর নানা রঙে আর সিক্যুইনে ঝলমলে শিফন শাড়ি। ভাগ্য ভাল, তখনও কিছুটা সময় ছিল আমাদের হাতে। আমি ওকে আমার একটা তাঁতের শা়ড়ি আর একটা কালো রঙের স্ট্রেচেবল লাইক্রা টপ দিয়েছিলাম পরতে। কালো যেহেতু নিউট্রাল রং তাই সব শাড়ির সঙ্গেই যায়। ওর ওই ঝলমলে ফ্যান্সি শাড়ি, ব্লাউজ, মুক্তোর গয়না সব প্যাক করে নিয়ে চলে যাই অফিস। আর ও-ও বলে যে পাঁচতারা হোটেলে পার্টি, সেখানকার মেয়েদের চেঞ্জিং রুমে পোশাক বদলে নেওয়াটাই সবচেয়ে সুবিধে হবে। ও এমনকী ওর বাহারি খোঁপা খুলে চুলটাকেও অফিস যাওয়ার মতো ঠিকঠাক করে নেয়। যে সাজে ও আমার কাছে এসেছিল, সেই সাজে অফিস গেলে সাঙ্ঘাতিক ব্যাপার হত।

তবে মেয়েরা যেখানেই যান, হ্যান্ডব্যাগে সব সময়ই একছড়া মুক্তোর হার, মেক আপ আর ফেস পাউডার সঙ্গে রাখুন। পারলে একটা স্টোল-ও। মেয়েরা কিন্তু এই ব্যাপারটায় ছেলেদের থেকে সব সময়ই এগিয়ে।
ঠিক বলেছি না বলুন?

বিকেলের নাস্তায় তৈরি করুন ভেজিটেবল ললিপপ

Loli popবিকেলের নাস্তায় আমরা সবাই বাসায় কিছু না কিছু তৈরি করি। কিন্তু সব খাবার স্বাস্থ্যকর হয় না। তাই বিকেলে নাস্তায় তৈরি করতে পারেন ভেজিটেবল ললিপপ। এই খাবারটি যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনি সুস্বাদু। ভেজিটেবল ললিপপ এর রেসিপিটি তৈরি করেছেন রন্ধনশিল্পী নাদিয়া নাতাশা।

উপকরন:

আলু ১ টা
ফুল কপি ১ কাপ
বরবটি ১/২কাপ
গাজর ১/২ কাপ
পেয়াজ কুচি ১/২কাপ
কাচা মরিচ কুচি ৩/৪টা
জিরা টেলে গুড়া ১/২ চা চামচ
পাপরিকা পাউডার ১/২চা চামচ,
শুকনা মরিচ গুড়া ১চা চামচ
অরিগানো ১/২চা চামচ
আদা বাটা ১/২চা চামচ
গোল মরিচ গুড়া ১/২চা চামচ
লবন পরিমান মত
ডিম ১ টা
ব্রেড ক্রাম /বিস্কুটের গুড়া ১ কাপ
তেল ১ কাপ
প্রনালি:

– সবজি প্রথমে সেদ্ধ করে করে চটকে ভর্তা করে নিন। চাইলে বেটে নিতে পারেন।

– এবার প্যানে ২ চা চামচ তেল দিয়ে পেয়াজ ও কাচামরিচ ভেজে নিন, এবার সেই পেয়াজ কাচা মরিচের সাথে সবজি টা দিয়ে নাড়তে থাকুন, একে একে সব মসলা দিয়ে দিন (তেল,ব্রেড ক্রাম,ডিম বাদে)। সবজি যখন শুকিয়ে আসতে শুরু করবে তখন নামিয়ে নিন, একটু ঠান্ডা হতে দিন।

– এবার গোল গোল করে বলের মত আকার দিন, ডিম ফেটিয়ে নিন, বল গুলো ডিমে চুবিয়ে ব্রেডক্রামে গড়িয়ে নিন। নরমাল ফ্রিজে ১ ঘন্টা রেখে দিন।

– এবার ডুবো তেলে ভেজে তুলুন, আর পরিবেশন করুন টমেটো সসের সাথে।

ভিন্ন স্বাদের মরোক্কার বিফ লিভার কাবাব

kababআপনি জানেন কি? একেবারেই ভিন্ন স্বাদের এই খাবারটির জন্ম অনেক দূরের এক দেশে, যেখানকার খাবার পৃথিবী জুড়ে বিখ্যাত। আজ খালেদা দেওয়ান পিংকি নিয়ে এসেছেন মরোক্কান স্টাইল বিফ লিভার কাবাবের রেসিপি। চলুন, জেনে নিই।

উপকরণ:
গরুর কলিজা ২০০ – ৩০০ গ্রাম (আড়াআড়ি পাতলা করে স্লাইস করে নেয়া)
তরল দুধ ১ কাপ (ফুটন্ত গরম)
রসুন বাটা আধা চা চামচ
আদা বাটা ১ চা চামচ
লবণ ১ চা চামচ
লেবুর রস/সিরকা ১ টে চামচ
অলিভ অয়েল ১ টে চামচ+ ভাজার জন্য আধা কাপ
প্যাপরিকা পাউডার ২ চা চামচ
গোল মরিচের গুঁড়ো আধা চা চামচ
শুকনা মরিচের গুঁড়ো আধা চা চামচ
ধনিয়া গুঁড়ো ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়ো আধা চা চামচ(ইচ্ছা)
ময়দা ১ কাপ বা প্রয়োজন মতো
ধনে পাতা কুচি ২ টে চামচ
পুদিনা পাতা কুচি ২ টে চামচ (ইচ্ছা)
পানি ৩-৪ টে চামচ

প্রনালি
-কলিজার স্লাইস গুলো ভালো করে ৫/৬ বার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে গরম দুধে ভিজিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। (এতে করে কলিজায় কোনো মাটি মাটি বা আষটে গন্ধ থাকলে বা ১/২ মাস ফ্রিজিং করা কলিজা হলে সেসব গন্ধ সরে যাবে )
-এবার আধা কাপ ভাজার তেল ও ময়দা বাদে বাকি সব কিছু একত্রে মিশিয়ে নিন। এটাকেই মরোক্কান মেরিনেশন বলে।
-দুধ থেকে কলিজার স্লাইস গুলো তুলে আবারো ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন ও মেরিনেশন সসের সাথে মিশিয়ে ২৪-৩৬ ঘন্টা নরমাল ফ্রিজে রেখে দিন।
-একটা ছড়ানো প্লেটে ময়দা নিয়ে প্রতিটা কলিজার স্লাইসের উভয় পাশে ময়দা লাগিয়ে নিন।
-উভয় পাশ ১ মিনিট করে ভেজে কিচেন টিস্যুর ওপর রাখুন যেন বাড়তি তেল ঝরে যায়।
-কাঁটা চামচ দিয়ে চেক করে দেখে নেবেন পুরোপুরি সিদ্ধ হয়েছে কিনা , নাহলে আরেকটু ভেজে নিতে হবে।
-কলিজা অল্প সময়ে মৃদু আঁচে রান্না করতে হয় নাহলে শক্ত হয়ে যায়।

চমৎকার বীফ উইথ ভেজিটেবল

Beef with Vegetableচমৎকার এই খাবারটি ফ্রাইড রাইসের সাথে খেতে দারুণ লাগবে, পরিবেশন করতে পারেন ভাত বা পোলাও-বিরিয়ানির সাথেও। আসুন, দেখে নিই রেসিপিটি।

উপকরণ : গরুর মাংস ৫০০ গ্রাম ,সয়া সস ৩ টেবিল চামচ , আদা পাউডার ১ টেবিল চামচ, রসূন পাউডার ১টেবিল চামচ ,চাইনীজ সল্ট ১চা চামচ , কাসুন্দি ১ টেবিল চামচ, কর্ণ ফ্লাউয়ার ১ চামচ , তেল ১ টেবিল চামচ ,লবণ ১/২ ছা চামচ ,সব্জি ( আন্দাজমত) ।

প্রনালিঃ গরুর মাংসটা সব উপকরণ ( কাসুন্দি,কর্ণ ফ্লাউয়ার ,তেল ও লবণ ছাড়া ) দিয়ে মেরিনেট করতে হবে প্রায় ১ঘন্টা। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে পুরু মিশ্রণটা ধেলে দিতে হবে।অল্প পানি দিয়ে এক টু ভাজা ভাজা করতে হবে ।বেবি কর্ণ আলাদা সিদ্ধ করে নিতে হবে। কাজু বাদাম হাল্কা ভেজে নিতে হবে। মাংসের মিশ্রণে এগুলু দিয়ে দিতে হবে। কেপ্সিকাম কুচি দিয়ে ২/৩ মিনিট পর কর্ণ ফ্লাউয়ার অল্প পানিতে গুলে দিয়ে দিতে হবে।এবার গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

নানা স্বাদে মজাদার মটরশুঁটি

Motorshutir-02উপকরণ: আস্ত ভেটকি মাছ আধা কেজি, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, জিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, নারকেলের দুধ আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো।

পুরের জন্য: সেদ্ধ মটরশুঁটি আধা কাপ, সেদ্ধ মুরগির মাংস বা চিংড়ির কিমা ২ টেবিল চামচ, আদা-রসুনবাটা ১ চা-চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি: আস্ত মাছ পরিষ্কার করে ধুয়ে পিঠের দিকে চিরে পকেট তৈরি করে নিতে হবে। লবণ, লেবুর রস, ময়দা, হলুদগুঁড়া ও মরিচগুঁড়া ১০ মিনিট মেখে রাখতে হবে। সব উপকরণ তেলে ভেজে পুর তৈরি করতে হবে। তারপর মাছের পকেটে মটরশুঁটির পুর ভরে দিতে হবে এবং তেল গরম করে দুই পিঠ ভাজতে হবে। অন্য একটি ফ্রাইপ্যানে তেলে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে সব মসলা কষিয়ে ১ কাপ পানি দিয়ে গ্রেভি তৈরি করে নিতে হবে। ভাজা মাছ গ্রেভিতে দিয়ে এপিঠ-ওপিঠ করে নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
মটরশুঁটি পুডিং

উপকরণ: মটরশুঁটি পেস্ট (দুধ দিয়ে ব্লেন্ড করা) ২ টেবিল চামচ, ডিম ২টি, ঘন তরল দুধ ১ কাপ, পাউরুটি ২ টুকরা, গুঁড়া চিনি ৩ টেবিল চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স ২-৩ ফোঁটা, সেদ্ধ গোটা মটরশুঁটি চিনিতে ক্যারামেল করে মাখিয়ে নেওয়া (সাজানোর জন্য)।

প্রণালি: ক্যারামেল করা মটরশুঁটি ছাড়া বাকি সব উপকরণ বিট করে নিতে হবে। ক্যারামেল করা স্টিলের বাটিতে এটি ঢেলে প্রেশার কুকারে দিয়ে ভাপে সেদ্ধ করে নিতে হবে। ঠান্ডা করে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

মটরশুঁটির পাস্তা কাটলেট

উপকরণ: সেদ্ধ মটরশুঁটি আধা কাপ, সেদ্ধ করা পাস্তা ২০০ গ্রাম, ক্যাপসিকাম কুচি ২ টেবিল চামচ, ফেটানো ডিম ১টি, বিস্কুটের গুঁড়া পরিমাণমতো, তেল ভাজার জন্য।

হোয়াইট সস তৈরি: ১০০ গ্রাম মাখন, ১০০ গ্রাম ময়দা, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো। সব উপকরণ চুলায় দিয়ে নেড়েচেড়ে সস তৈরি করতে হবে।

প্রণালি: হোয়াইট সস চুলায় থাকতে তাতে পাস্তা, মটরশুঁটি ও ক্যাপসিকাম দিয়ে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। চারকোনা বাটিতে ফয়েল পেপার রেখে এই মিশ্রণটি ঢেলে দিতে হবে। একটু ঠান্ডা হলে এক থেকে দুই ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে কাটলেট আকার করে নিতে হবে। ফেটানো ডিমে চুবিয়ে ও বিস্কুটের গুঁড়া মেখে অল্প তেলে এপিঠ-ওপিঠ বাদামি করে ভেজে পরিবেশন করতে হবে।

মটরশুঁটি–মাংস

উপকরণ: গরুর মাংস (পাতলা করে কাটা) আধা কেজি, মটরশুঁটি আধা কাপ, পেঁয়াজ (আস্ত) ৭-৮টি, ব্রকলি ৫-৬ টুকরা, গাজর ৫-৬ টুকরা, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, টমেটো পিউরি ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজন মতো, কাঁচা মরিচ ফালি ২-৩টি।

প্রণালী: মটরশুঁটি, গাজর, ব্রকলি ও আস্ত পেঁয়াজ, লবণ ও ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ভেজে তুলে রাখুন। মাংস ধুয়ে পানি ঝরিয়ে ভালো করে ছেঁচে নিতে হবে। এবার আদাবাটা, রসুনবাটা, লবণ, দিয়ে মাখিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে তাতে চিনি দিতে হবে। চিনি একটু লাল হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে একটু নাড়াচাড়া করে তাতে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে দিতে হবে। ১ কাপ গরম পানি দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে রান্না করতে হবে।

মাংস সেদ্ধ হলে ভেজে রাখা মটরশুঁটিসহ সবজি, টমেটো পিউরি ও লেবুর রস দিতে হবে। সব শেষে ঠান্ডা পানিতে কর্নফ্লাওয়ার গুলে মাংসে

দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।

মটরশুঁটির পিৎজা

উপকরণ: ডো তৈরি: ময়দা ২ কাপ, ইষ্ট দেড় চা-চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ ১ চিমটি, চিনি ১ চা-চামচ, পনির কুচি আধা কাপ।

টপিং তৈরি: সেদ্ধ মটরশুঁটি ২ টেবিল চামচ, সেদ্ধ মুরগির কিমা আধা কাপ, টমেটো সস ১ কাপ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, ওরিগেনো আধা চা-চামচ, ক্যাপসিকাম ৩-৪ টুকরা, ধনেপাতা কুচি ১ চা-চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো। ওপরের সব উপকরণ চুলায় দিয়ে নেড়েচেড়ে পুর তৈরি করতে হবে।

প্রণালি: আধা কাপ মৃদু গরম পানিতে ইষ্ট ভিজিয়ে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পরে ডো তৈরির সব উপকরণ দিয়ে ময়দা মেখে গরম জায়গায় ঢেকে রাখতে হবে ১ ঘণ্টার মতো। ডো ফুলে উঠলে ১ টেবিল চামচ পনির কুচি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এবার খামির দুই ভাগ করে মোটা রুটি বেলে নিতে হবে। পিৎজা তৈরি রুটির ওপর টমেটো সস, মটরশুঁটির পুর, বাকি পনির কুচি, ক্যাপসিকাম ও সামান্য তেল বা বাটার ছড়িয়ে প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২৫-৩০ মিনিট বেক করতে হবে।

দীপিকার অনলাইন সেবা ‘ফ্যাশন ব্র্যান্ড’

deepika-011ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু করলেন ‘রামলীলা’খ্যাত বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন। সম্প্রতি নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘অল অ্যাবাউট ইউ’ এর উদ্বোধন করেছেন তিনি। এই ফ্যাশন ব্র্যান্ডটি অনলাইন সেবা প্রদান করবে। এখানে নানা ধরনের পোশাক ও আনুষঙ্গিক বিষয়ও পাওয়া যাবে।

জানা গেছে, এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দীপিকা ডেনিম প্যান্ট, প্রিন্টেড টপ আর খোলা চুলে ছিমছাম পরিপাটি সাজে হাজির হযে়ছিলেন।

দীপিকা তার ফ্যাশন ব্র্যান্ডের উদ্বোধনের সময় বলেন, ‘তরুণীদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, আপনি যেমন; ঠিক তেমনটিই থাকুন, খুব বেশি চেষ্টা করার কিছু নেই।’ ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু ও অভিনেত্রীদের কার কার স্টাইল ও ফ্যাশন তার পছন্দ এ প্রশ্নের উত্তরে দীপিকা জানান, বলিউডের অভিনেত্রী রেখা থেকে শুরু করে হেমা মালিনী; অনেকের স্টাইলই পছন্দ তার। এমনকি হালের সোনম কাপুরের স্টাইলও তার পছন্দ।

সূত্রটি আরো জানিযে়ছে, ফ্যাশনসচেতন অভিনেতা রণবীর সিংযে়র স্টাইল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দীপিকা বলেন, ‘রণবীর সিংযে়র নিজস্ব একটা স্টাইল আছে। সে তাই পরে যা সে পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।’ এদিকে, এই ‘পিকু’ তারকাকে খুব শিগগিরই ইমতিয়াজ আলীর ‘তামাশা’ ও সঞ্জয় লীলা বানশালীর ‘বাজিরাও মাস্তানি’ ছবিতে দেখা যাবে ।

জেনে নেওয়া যাক গাজরের কিছু পুষ্টিগুণ

Gazor-01গাজর একটি মূলজ সবজি, বৈজ্ঞানিক নাম ডকাশ ক্যারোটা। গাজর যেমন পুষ্টিকর, তেমনি শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। আমরা কাঁচা, রান্না করে বা হালুয়ায় গাজর খেয়ে থাকি। গাজর এ প্রধানত ভিটামিন এ পাওয়া যায়। তাছাড়া এতে ক্যালসিয়াম, লৌহ, ফসফরাস, শ্বেতসার এবং অন্যান্য ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। গাজর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোসহ দেহের নানান সমস্যার সমাধান করে থাকে। তাই দিনে অন্তত দুটি গাজর খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক গাজরের কিছু পুষ্টিগুণ।

গাজর খেলে অনেক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ছবি সংগৃহীত
১. ক্যান্সার প্রতিরোধ করে : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, গাজরে উপস্থিত ফ্যালকেরিনল এবং ফ্যালকেরিনডায়ল উপাদান আমাদের শরীরে অ্যান্টিক্যান্সার উপাদানগুলোকে পূর্ণ করে। নিয়মিত গাজর খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলোন ক্যান্সার ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। এছাড়া গাজর চামড়ার ক্যান্সারও প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন মধ্যম আকৃতির গাজর খেলে ফুসফুসে ক্যান্সারের ঝুঁকি ৫০ শতাংশ হ্রাস পায়। গবেষকদের মতে, যারা নিয়মিত গাজর খান তাদের প্রায় ৭০% মানুষ চামড়ার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান।

২. লিভার সুস্থ রাখে : গাজর একটি ডেটক্স খাদ্য হিসেবে পরিচিত। ডেটক্স খাদ্যসমূহ লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গাজর লিভারকে পরিস্কার করে। লিভারের সব ধরনের রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজর লিভারে জমে থাকা মেদ দূর করতে সব থেকে কার্যকরী একটি ওষুধ।

৩. কার্ডিওভ্যাস্কুলার রোগ প্রতিরোধ করে : গবেষণায় দেখা যায়, যারা কোলেস্টোরলের সমস্যায় ভোগেন তারা যদি প্রতিদিন একটি করে গাজর খাদ্য তালিকায় রাখেন তাহলে কোলেস্টোরলজনিত বেশিরভাগ রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। কারণ গাজরে রয়েছে আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন ও লুটেইন অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কোলেস্টোরলের বিরুদ্ধে কাজ করে ও হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। এছাড়াও গাজরে বিদ্যমান ফাইবার দেহের খারাপ কোলেস্টোরল শুষে নেয়। এতে দেহে কোলেস্টোরলের মাত্রা ঠিক থাকে এবং হৃৎপিণ্ডকে কোলেস্টোরলজনিত প্রায় সব ধরনের রোগ থেকে বাঁচায়।

৪. চোখের সুরক্ষায় গাজর : গাজর ভিটামিন এ উপাদানে সমৃদ্ধ। ভিটামিন এ চোখের সুরক্ষায় কাজ করে। এছাড়াও গাজরের বিটা ক্যারোটিন লিভারে ভিটামিন এ’তে পরিণত হয় যা সরাসরি রেটিনাতে পৌঁছায়। তারপর এই ভিটামিন এ রেটিনা থেকে রডোপ্সিনে যায়। রডোপ্সিন একটি হালকা বেগুনি রঙের পিগমেন্টট যা রাতের বেলার দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। সুতরাং গাজর রাতকানা রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখে।

৫. দাঁতের সুরক্ষায় গাজর : দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গাজরের গুরুত্ব অনেক বেশি। গাজর খেলে দাঁত পরিষ্কার হয়। দাঁতে জমে থাকা প্লাক দূর হয়। ডাক্তাররা বলেন, গাজর খাওয়ার সময় আমাদের মুখে ‘সিলভা’ নামক একটি যৌগের নিঃসরণ ঘটে। সিলভা মুখে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে যা দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। প্রতিদিন একটি করে গাজর খেলে মাড়ি ও দাঁতের সমস্যা দূর হয়।

৬. চেহারায় বয়সের ছাপ দূর করে : গাজরে বিদ্যমান বিটা ক্যারোটিন ত্বকের ক্ষতি পূরণ করতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিন খুব ভালো একটি অ্যান্টিএজিং এর উপাদান যা মুখের বয়সজনিত দাগ ও রিঙ্কেল দূর করে। গাজর খেলে মুখে বয়সের ছাপ ধীরগতিতে আসে। গবেষকরা বলেন, সপ্তাহে ৬টি গাজর চেহারার বয়সের ছাপ দূর করে ।

৭. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় : মানুষের কোষের ডিএনএতে ক্ষতির কারণে বেশ কিছু ক্রনিক অসুখ শরীরে তৈরি হয়। গাজরে থাকা ক্যারোটিনয়েডসগুলো (বিটা ক্যারোটিন, আলফা ক্যারোটিন ও লাইকোপেন) এই ক্ষতি কমিয়ে দিতে পারে এবং বয়সজনিত বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

৮. রক্ত পরিষ্কার করে : গাজর রক্ত পরিষ্কার করে। গাজর খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। ত্বক ফর্সা করতে এবং মুখের সৌন্দর্য বাড়াতে বেশি বেশি গাজর খেতে পারেন। যাদের পেটে গ্যাস হয় তারা গাজর খেয়ে উপকার পাবেন।

৯. অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করে : গাজর ভাল অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও কাজ করে। এটি শরীরে কোনো ক্ষত হলে তা ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করে। কোথাও কেটে বা পুড়ে গেলে সেখানে লাগিয়ে নিন কুচি করা গাজর বা সিদ্ধ করা গাজরের পেস্ট। আপনার ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।

১০. সুন্দর ত্বকের জন্য গাজর : সুন্দর ত্বকের জন্যও গাজর খেতে পারেন। এটি আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। এর ভিটামিন এ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করবে। সেই সাথে ভিটামিন এ ত্বকের অযাচিত ভাঁজ পড়া, কালো দাগ, ব্রন, ত্বকের রঙের অসামঞ্জস্যতা ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করবে।

গর্ভধারণে সমস্যা এড়ানোর কিছু সহজ সমাধান

backপড়াশুনা, ক্যারিয়ার, দেরিতে বিয়ে, বিয়ের পর বাচ্চা নিতে দেরি করা ইত্যাদি কারণে নারীদের কাঙ্ক্ষিত সময়ে গর্ভধারণ এখন জটিল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতো সব সমস্যার কারণে নারীর শরীরে বেশ কিছু সমস্যাও বাসা বেধে যায়। আর তাই নারীরা ইচ্ছা করলেই সহজে মা হতে পারেন না। অথচ ডাক্তারি পরামর্শে রয়েছে গর্ভধারণে সমস্যা এড়ানোর কিছু সহজ সমাধান। আসুন জেনে নেয়া যাক।

– গর্ভধারণ করতে গেলে অভুলেটিং পিরিয়ডে (পিরিয়ড শুরু হওয়ার ১৪ দিন পরে ও পরের মাসের পিরিয়ড হওয়ার ১৪ দিন আগের সময়) মিলিত হওয়ার জন্য চিকিৎসা শাস্ত্রে পরামর্শ রয়েছে। এই সময় পরিণত ডিম্বাণুগুলো ওভারি বা ভ্রূণকোষ থেকে বেরিয়ে আসে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মাসের একটি দিন নারীদের অভুলেশন হয়। সেদিন সবচেয়ে পরিণত ডিম্বাণুটি বেরিয়ে আসে। তখনই নারীরা গর্ভ ধারনের জন্য সবচেয়ে উর্বর হয়ে ওঠে। শুক্রাণুর সঙ্গে মিশে গিয়ে গর্ভধারণ করতে সাহায্য করে।

– উপযুক্ত সময়ে মা হতে চাইলে সুষম খাবার খেতে হবে। এতে হরমোনের মাত্রা ঠিক থাকে। এই সময় ফ্যাট ও গ্লুকোজ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে।

– বেশি পরিমাণে কমলালেবু ও গাজর খান। এই সবজিগুলো বেশি মাত্রায় ফিমেল সেক্স হরমোন তৈরি করে অভুলেশনে সাহায্য করে।

– সন্তান ধারনের সক্ষমতা ধরে রাখতে শারীরিক ওজনের লাগাম টেনে ধরতে হবে। কোনোমতেই তা বাড়ানো চলবে না। ওজন বেড়ে গেলে অন্যান্য সমস্যার সঙ্গে এতে ঋতু শ্রাবের অনিয়ম দেখা দেবে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হবে। সহজে গর্ভধারণে বাধা আসবে।

– ক্যাফেইন আছে এমন খাবারকে না বলতে হবে একেবারে। ধূমপাণসহ অন্যান্য নেশা থেকেও দূরে রাখতে হবে নিজেকে। এগুলো আপনার স্বাস্থ্যের নিয়মিত পরিক্রমা নষ্ট করে দেয়। দেখা দেয় নানা ধরনের সমস্যা।

– অনেক সময় বায়োলজিক্যাল কারণেও গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।

‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’

Loveভালোবাসার কথা প্রকাশ করতে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় যে বাক্য ব্যবহার করা হয়:

১.বাংলা= আমি তোমাকে ভালবাসি।
২.ইংরেজি = আই লাভ ইউ।
৩.ইতালিয়ান = তি আমো।
৪.রাশিয়ান = ইয়া তেবয়া লিউব্লিউ।
৫.কোরিয়ান = তাঙশিনুল সারাঙ হা ইয়ো।
৬.কানাডা = নান্নু নিনান্নু প্রীতিসুথিন।
৭.জার্মান = ইস লিবে দিস।
৮.রাখাইন =অ্যাঁই সাঁইতে।
৯.ক্যাম্বোডিয়ান=বোন স্রো লানহ্উন।
১০.ফার্সি = দুস্তাত দারাম।
১১.তিউনিশিয়া = হাহে বাক।
১২.ফিলিপিনো = ইনবিগ কিটা।
১৩.লাতিন = তে আমো।
১৪.আইরিশ = তাইম ইনগ্রা লিত।
১৫.ফ্রেঞ্চ = ইয়ে তাইমে।
১৬.ডাচ = ইক হু ভ্যান ইউ।
১৭.অসমিয়া = মুই তোমাকে ভাল্ পাও।
১৮.জুলু = মেনা তান্দা উইনা।
১৯.তুর্কি = সেনি সেভিউর ম।
২০.মহেলি = মহে পেন্দা।
২১.তামিল = নান উন্নাই কাদালিকিরেন।
২২.সহেলি = নাকু পেন্দা।
২৩.ইরানি = মাহ্ন দুস্তাহ্ত দোহ্রাহম।
২৪.হিব্রু = আনি ওহেব ওটচে (মেয়েকে ছেলেকে), আওটচা (ছেলেকে মেয়ে)।
২৫.গুজরাটি = হুঁ তানে পেয়ার কার ছু।
২৬.চেক = মিলুই তে।
২৭.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
২৮.পর্তুগিজ = ইউ আমু তে।
২৯.বসনিয়ান = ভলিম তে।
৩০.তিউনেশিয়ান = হা এহ বাদ।
৩১.হাওয়াই = আলোহা ওয়াউ লা ওই।
৩২.আলবেনিয়া = তে দুয়া।
৩৩.লিথুনিয়ান = তাভ মায়লিউ।
৩৪.চাইনিজ = ওউ আই নি।
৩৫.তাইওয়ান = গাউয়া আই লি।
৩৬.পার্শিয়ান = তোরা ডোস্ট ডারাম।
৩৭.মালয়শিয়ান =সায়া চিনতা কামু।
৩৮.মায়ানমার = মিন কো চিত তাই।
৩৯.ভিয়েতনামিস = আনাহ ইউই এম (ছেলে মেয়েকে), এম ইউই আনাহ (মেয়ে ছেলেকে)।
৪০.থাইল্যান্ড = চান রাক খুন (ছেলে মেয়েকে), ফেম রাক খুন (মেয়ে ছেলেকে)।
৪১.গ্রিক = সাইয়াগাপো।
৪২.চেক = মিলুই তে।
৪৩.বর্মিজ = চিত পা দে।
৪৪.পোলিশ = কোচাম গিয়ে।
৪৫.মালয়ি = আকু চিন্তা কামু।
৪৬.ব্রাজিল = চিতপাদে।
৪৭.হিন্দি = ম্যায় তুমছে পেয়ার করতাহুঁ।
৪৮.জাপানি = কিমিও আইশিতের।
৪৯.পাকিস্তান = মুঝে তুমছে মহব্বত হায়।
৫০.ফার্সি = ইয়ে তাইমে।
৫১.সিংহলিজ = মামা ও বাটা আছরেই।
৫২.পাঞ্জাবী = মেয় তাতনু পেয়ার কারতা।
৫৩.আফ্রিকান = এক ইজ লফি ভির ইউ (ছেলে মেয়েকে), এক হাত যাও লিফ (মেয়ে ছেলেকে)।
৫৪.তামিল = নান উন্নাহ কাদা লিকিরেণ।
৫৫.রোমানিয়া = তে ইউবেস্ক।
৫৬.স্লোভাক = লু বিমতা।
৫৭.নরওয়ে = ইয়েগ এলস্কার দাই।
৫৮.স্প্যানিশ = তে কুইয়েবু।
৫৯.ফিলিপাইন = ইনি বিগকিটা।
৬০.বুলগেরিয়া = অবি চামতে।
৬১.আলবেনিয়া = তে দাসরোজ।
৬২.গ্রিক = সাইয়াগাফু।
৬৩.এস্তোনিয়ান = মিনা আর মাস্তান সিন্দ।
৬৪.ইরান = সাহান দুস্তাহত দোহরাম।
৬৫.লেবানিজ = বহিবাক।
৬৬.ক্যান্টনিজ = মোই ওইয়া নেয়া।
৬৭.ফিনিশ = মিন্যা রাকাস্তান সিনোয়া।
৬৮.গ্রিনল্যান্ড= এগো ফিলো সু।
৬৯.আরবি = আনা বেহিবাক (ছেলে মেয়েকে), আনা বেহিবেক (মেয়ে ছেলেকে)।
৭০.ইরিত্রয়ান = আনা ফাতওকি।

ছবির ঝলক

0113471
Visit Today : 9
Visit Yesterday : 91
Total Visit : 113471
Hits Today : 42
Total Hits : 721375
Who's Online : 1

facebook