শেষ পর্যন্ত মগজ চুরি!

MOGOJযুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ২৩ বছর বয়সী ডেভিড চার্লস চৌর্যবৃত্তিতে নয়া মাইলফলক স্থাপন করেছে। বুদ্ধিবৃত্তিক চৌর্যবৃত্তির মাধ্যমে অনেকে অন্যের লেখা সাহিত্য-শিল্পকর্ম, বৈজ্ঞানিক সূত্র বা এধরনের বিষয়বস্তু চুরি করে থাকে।
কিন্তু ডেভিড চুরি করেছে রীতিমতো মেধাস্বত্ব আবাসভূমিটাকেই- অর্থাৎ মস্তিষ্ক। এক হাসপাতালভিত্তিক যাদুঘরে রাখা বেশ কয়েকটি মগজ চুরি করে তিনি অনলাইন মার্কেটিংয়ে বিক্রিও করে দিয়েছিল।

তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়তেই হয়েছে তাকে। সম্প্রতি আদালত তাকে এক বছরের বন্দিত্বের শাস্তি দিয়েছেন। এছাড়া মুক্ত হওয়ার পরও দুই বছর তাকে থাকতে হবে নিয়মিত নজরদারির অধীনে।

ম্যারিয়ন কাউন্টি প্রসিকিউটরস অফিস জানায়, ধরা পড়ার পর চার্লস স্বীকার করে যে ইন্ডিয়ানা মেডিকেল হিস্টরি মিউজিয়ামে একাধিকবার হানা দিয়ে মানুষের মগজ ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ তথা টিস্যুভর্তি জার চুরি করেছে সে।

ওই হাসপাতালটি ১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল মস্তিষ্ক বিকৃতদের (উন্মাদ-পাগল) চিকিৎসার জন্য। পরে একে যাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। এখানে রাসায়নিকে সংরক্ষিত করে রাখা মানুষের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ বিশেষ করে মস্তিষ্ক প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

চার্লসের অপকর্ম ধরা পড়ে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে। ওই সময়ে সান ডিয়েগোর এক ব্যক্তি অলাইন কেনাকাটায় (ই-বে) মানুষের মস্তিষ্কের অংশ বিশেষ ভরা ৬ টি জার (কাঁচের পাত্র) কেনেন ৬০০ ডলারে। তিনি ওই যাদুঘরকেন্দ্রিক একটি অনলাইনভিত্তিক গবেষণা করছিলেন। তিনি দেখতে পান তার কেনা জারগুলো যাদুঘর থেকে চুরি যাওয়া জারগুলোর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তিনি বিষয়টি পুলিশে জানান।

অবশ্য মগজ চোরকে ধরা এত সহজ ছিল না। তবে সব অপরাধীর মতো সেও কিছু ক্লু রেখে গিয়েছিল ঘটনাস্থলে। পুলিশ তদন্ত করে যাদুঘর থেকে চার্লসের রক্তাক্ত আঙুলের ছাপওয়ালা একটি কাগজ পায়। ওই ফিঙ্গারপ্রিন্ট সূত্রেই তাকে পাকড়াও করা হয়। আদালত সূত্র জানায়, পরে মানব টিস্যুভর্তি আরও ৮০টি জার উদ্ধার করা হয়। চার্লস শুধু মানব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই নয়- কিছু যন্ত্রপাতি এবং ঐতিহাসিক জিনিসপত্রও চুরি করেছিল।

মাটির তলায় প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ!

prachin masjidটিলা কেটে সমান করতে গিয়ে মাটির তলা থেকে মিলল মাথার খুলি আর প্রাচীন মসজিদের ধ্বংসাবশেষ। করিমগঞ্জ জেলার বালিয়ার ঘটনা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই টিলা ও সংলগ্ন জমিটি আবদুল সুবান নিফতাউর রহমানকে বিক্রি করে দেন। রহমান টিলাটি কাটার কাজ শুরু করেছিলেন। টিলা কিছুটা কাটার পরেই মাটির তলায় মিলেছিল প্রাচীন ইট। স্থানীয় মানুষ তখনই টিলার মাটি কাটায় আপত্তি জানান। বাসিন্দাদের আপত্তি এড়াতে রহমান রাতের অন্ধকারে জেসিবি দিয়ে মাটি কাটার কাজ চালাচ্ছিলেন। ফের উদ্ধার হয় খুলি।

দেখা যায়, মাটির নীচে রয়েছে প্রাচীন মসজিদ-সদৃশ কাঠামো। বন্ধ হয়ে যায় খোঁড়ার কাজ।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া একটি বড় কালো পাথরে ‘৯০৭ হিজরি’র উল্লেখ রয়েছে। তার অর্থ দাঁড়ায়, মসজিদটি প্রায় সাড়ে পাঁচশো বছর আগেকার। উর্দু হরফ খোদাই করা ফলকগুলির পাঠোদ্ধারের জন্য উর্দু ভাষায় জ্ঞান থাকা ব্যক্তিদের দিয়ে তা পড়ানো হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অবিভক্ত ভারতের শ্রীহট্ট থেকে যখন এই এলাকায় শাহ জলালের আগমন হয়েছিল, তাঁর সঙ্গেই এসেছিলেন অনেক ধর্ম প্রচারক। মসজিদটি সম্ভবত সেই সময়ের। উদ্ধার হওয়া পাথর ও ইটের নকশাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

মসজিদের সন্ধান মেলার খবর ছড়াতেই অনেক মানুষ বালিয়ায় আসছেন। গ্রামবাসীরা এখন দাবি করছেন, রহমান যে টাকায় জমিটি কিনেছেন— তা গ্রামের লোকই তাঁকে ফেরত দেবেন। বদলে জমি তুলে দিতে হবে গ্রামের হাতে। পাহাড়টি সংরক্ষণ করে সেখানে নতুন করে মসজিদ তৈরি করা হবে। তথ্যঃ আনন্দ বাজার

ধর্ষিতাকে বিচারকের অদ্ভুত প্রশ্ন

Robin campকানাডার একটি আদালতে ধর্ষণ মামলা চলাকালে অভিযোগকারী তরুণীর কাছে বিচারক জানতে চেয়েছেন, ধর্ষণের আগে কেন সে তার পা দুটি চেপে রাখেনি। এতে হয়তো হামলাকারী তাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হতো। গত সপ্তাহে আলবার্টা অঙ্গরাজ্যে বিচারক রবিন ক্যাম্পের আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

২০১৪ সালে আলবার্টার ক্যালগারি শহরে বাড়িতে পার্টি চলাকালে ১৯ বছরের এক গৃহহীন তরুণীকে ডেকে এনে ধর্ষণ করে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় পরবর্তী সময়ে ওই তরুণী মামলা করেন।

গত সপ্তাহে মামলার শুনানি চলাকালে বিচারক রবিন ক্যাম্প ওই তরুণীকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি কেন পা দুটো জোড়া করে রাখেননি?’

বিচারক বলেন, এমনটা করলে হয়তো ওই অভিযুক্ত পুরুষটি তাকে ধর্ষণ করতে পারত না।

ধর্ষণের সময় হামলাকারী আঘাত করেছিল- তরুণীর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক বলেন, ‘কখনো কখনো যৌনতা ও যন্ত্রণা একসঙ্গে হয়, যা একেবারে খারাপ না।’

বিচারক রবিন ক্যাম্পের এই মন্তব্যে আদালতসংশ্লিষ্টরা রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান। ব্যাপক সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে শেষ পর্যন্ত মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন তিনি। কানাডার ফেডারেল আদালত এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, শিগগিরই রবিন ক্যাম্পকে স্পর্শকাতরতা-বিষয়ক প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। রাইজিংবিডি/

কুকুরের গুলিতে যেভাবে আহত হলেন মালিক!

Dogমানুষের গুলিতে আহত হয় মানুষ, কিন্তু কখনো কি শুনেছেন কুকুরের গুলিতে কেউ আহত হয়েছে? না শুনলেও এবার শুনন এমনই এক ঘটনা। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। যুক্তরাষ্ট্রে একটি লাব্রাডর কুকুরের গুলিতে আহত হয়েছেন তার মালিক।

ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে অ্যালি কার্টার নামের ২৫ বছর বয়সী ওই নারী তার পোষা কুকুরটি সাথে নিয়ে বনে শিকার করছিলেন। গুলি ভরা অবস্থায় বন্দুকটি তিনি পাশেই রেখেছিলেন। কিন্তু তার ‘ট্রিগার’ নামের ল্যাব্রাডর কুকুরটি সেটির ওপর উঠে বন্দুকটির ট্রিগার চেপে ধরে। এতে গুলি বেরিয়ে কার্টারের পায়ে লাগে।

তবে এ ঘটনায় তিনি আহত হলেও পরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন। এ ঘটনায় তার পোষা কুকুরটির প্রতি তিনি কোনো ধরনের অমানবিক আচরণ করেননি।

২০০ বিলাসবহুল গাড়ির মালিক এক নাপিত!

Napitভারতের এক সেলুন ব্যবসায়ী (নরসুন্দর) ২০০ বিলাসবহুল গাড়ির মালিক। শুনে অবাক হচ্ছেন? তিনি কিন্তু যে-সে নাপিত নন। তিনি সিঙ্গাপুরের হেয়ার কাট আর তার বিলাসবহুল সব গাড়ির জন্য বিখ্যাত। তবে তার কারবারও তেমনই। তার সেলুনে চুল কাটান জাঁদরেল সব তারকারা। এই সেলুনে চুল কাটার খরচ এতটাই যে সাধারণ লোক এই খরচ মেটাতে হিমশিম খেয়ে যাবে। যার কথা এতক্ষণ বলছি তিনি ভারতের ব্যাঙ্গালুরের রামেশ বাবু।

তার কাছে মারসিডিস থেকে শুরু করে বিএমডব্লিউ আবার টয়োটা থেকে শুরু করে রোলস রয়েস সব আছে। হলফ করে বলতে পারি আপনি যে কোনো গাড়ির নামই বলুন না কেন সবই পাবেন তার কাছে। তবে তিনি কিন্তু খুব ধনী পরিবারে জন্মান নি। অথবা তার বাবাও তাকে ব্যবসায়ের জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা দেননি। তিনি এ পর্যন্ত যা করেছেন সবটাই তার নিজের প্রচেষ্টা, ধৈর্য আর ইচ্ছাশক্তি। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

মাত্র সাত বছর বয়সে বাবাকে হারান রামেশ। তখন তার মা পরিবারের হাল ধরেন। অন্যের বাড়িতে রান্না করে সংসার চালাতে থাকেন তিনি। এসবের ভেতরেই ধীরে ধীরে বড় হতে থাকেন রামেশ। পড়াশুনা শুরু করেন। এক সময় ইলেক্ট্রনিক্সে ডিপ্লোমা শেষ করেন রামেশ। সেসময় শখের বশেই একটা গাড়ি কিনে ফেলেন। পরে পারিবারিক এক বন্ধু তাকে পরামর্শ দেন রেন্ট কারের ব্যবসা করতে।

২০০৪ সালে তিনি আরো কয়েকটি গাড়ি কেনেন। এর কিছুদিন পরেই তিনি বুঝতে পারেন বেশি টাকা উপার্জন করতে হলে তাকে বিলাশবহুল কিছু গাড়ি কিনতে হবে। এতে করে তিনি ওই গাড়ির মালিকও হয়ে যাবেন আবার ব্যবসাটাও জমজমাট করতে পারবেন। তার সেদিনের সেই উপলব্ধিই আজ তার ব্যবসাকে এই পর্যন্ত নিয়ে এসেছে।

এখন তার এসব বিলাশবহুল গাড়ি শাহরুখ খান, অমিতাভ বচ্চনের মত বড় বড় তারকাও ছবির জন্য ভাড়া করে থাকেন। গাড়ি এবং সেলুন দুটি ব্যবসায় সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা জীবনকে বেশ ভাল ভাবেই উপভোগ করেন রামেশ। আর হবেনই বা না কেন? তিনি একাই যে ২শ গাড়ির মালিক!

মরে গিয়েও জীবিত ছিলেন যেসব মানুষ!

exclusiveযে কারও জীবনেই মৃত্যু খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। মানুষ জন্ম নেবে, মারা যাবে- এই তো নিয়ম। তবে তারপরেও প্রিয়জনের মৃত্যুতে সবসময়েই কেঁদে ওঠে মানুষের মন। কিন্তু এমন কিছু মানুষের কথা বলব এবার যাদের মৃত্যুতে কাঁদেনি কেউ। কাঁদবে কি করে? কেউ জানলে তো! সত্যিই এই হতভাগা মানুষগুলোর মৃত্যু সম্পর্কে কেউই জানেনি বছরের পর বছর ধরে। এমনকি এদের খুব কাছের মানুষেরাও নয়। আসুন জেনে নিই এমনই কিছু মানুষের কথা।

১. টিভির সামনে ৪২ বছর
১৯৬৬ সাল ছিল সেটা। সেই শেষবার হেডভিগা গোলিগকে বাড়ির দরজায় দেখতে পেয়েছিল প্রতিবেশীরা। এরপর? টানা ৪২ বছর কেটে গিয়েছে। আর কোনদিন কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি ১৯২৪ সালে জন্মানো এই ক্রোয়েশিয়ান মহিলার ( ওডি )। মাঝে কয়েকবার পুলিশের কাছে অনুরোধ এসেছিল হেডভিগার বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরটা দেখে নিতে। আদৌ কোন সমস্যা হয়েছে কিনা তার। কিন্তু সবার স্থির বিশ্বাস ছিল মহিলা জাগ্রেবে চলে গিয়েছেন। সেজন্যেই বাড়ি এত শুনশান। অনুরোধের দিকে কোন কানই দেয়নি কেউ। সেবার কি একটা প্রয়োজনে বাড়িতে ঢোকাটা খুবই দরকার হয়ে পড়ে মালিকের জন্যে। দরজা ভেঙে পুলিশের সাহায্য নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। আর তারপরেই থমকে যান তিনিসহ সবাই। টিভির সামনে চায়ের কাপ নিয়ে কে এই মহিলা? কে আবার? হেডভিগা গোলিগ! না, সবাই ভুল ছিল। কোথাও যায়নি সেদিন হেডভিগা। চা খেতে খেতে টিভি দেখছিল সে। সেখানেই মৃত্যু হয় তার। যদিও ৪২ বছরের আগে তার মৃত্যু সম্পর্কে জানতো না কেউ!

২. তিন বছর ধরে মৃত
২০০৬ সালের ২৫ জনুয়ারি। সেবার নিজেদের কিছু কাজ সারছিলেন কর্মকর্তারা। হঠাত্ তাদের চোখ পড়ে যায় পাশের একটি বাসার চেয়ারের দিকে। চেয়ারটা একলা ছিল না। তাতে বসে ছিল একটি আস্ত কঙ্কাল! খবর চলে যায় সবদিকে। কৌতুহলী হয়ে দেখতে গিয়ে বড় রকমের একটা ধাক্কা খায় সবাই। একদিন, দুদিন নয়, কঙ্কালটি চেয়ারটিতে শুয়েছিল টানা তিনবছর ধরে। তিনবছর ধরে জমে থাকা চিঠি আর ২০০৩ সালের খাবার জমে ছিল ফ্রিজে। ( দি গার্ডিয়ান )। তার সামনে তখনো চলছিল টেলিভিশন। মৃত্যুর সময় বিবিসি দেখছিল মানুষটি। দেখে চেনার উপায় ছিল না কঙ্কালটি কার। আর তাই অনুসন্ধান করা হয় আর জানা যায় এটি জয়েস ভিনসেন্ট নামের এক ৩৮ বছরের নারীর কঙ্কাল। যার মৃত্যু হয়েছিল প্রায় তিন বছর আগেই।

৩. বইয়ের ভেতর মৃত্যু
স্ত্রীর বড়বোন লেখক বারবারা সালিনাসের সাথে প্রায় দুইবছর ধরে যোগাযোগ ছিল না লুইস পোনেছের। লেখক মানুষ! একটু চুপচাপ তো থাকবেনই। বাচ্চাদের জন্যে বই লিখতেন সালিনাস। মেক্সিকোর বাচ্চাদেরকে তাদের নিজেদের সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করে দেওয়াটাই প্রধান উদ্দেশ্য ছিল তার। বেশ পরিচিতও ছিলেন তিনি এ কাজের জন্যে। সবটাই জানা ছিল লুইসের। কিন্তু দুইবছর পর হঠাত্ দুশ্চিন্তা হতে শুরু করল তার। যতটাই চুপচাপ থাকুক না কেন কেউ, তাই বলে দুই বছর? খানিকটা রাগ আর খানিকটা দুশ্চিন্তা নিয়েই সালিনাসের বাড়িতে যান লুইস ২০১৩ সালে। আর ঘরের ভেতরে ঢুকতেই খুঁজে পান সালিনাসকে মৃতাবস্থায় বাইয়ের ভেতরে পড়ে থাকতে। অবশ্য তখন সেটা সালিনাস নয়, ছিল তার কঙ্কাল। পরীক্ষা করে জানা যায় যে প্রায় ১ বছর আগেই প্রাকৃতিক কারণে মারা যান এই লেখক( দ্যা গার্ডিয়ান )।

পানির উপর ভাসমান বসতবাড়ি !

water house-022ভ্রমণে গিয়ে হাউজবোট বা বজরাতে ঘোরাঘুরির সময় একবারও কি মনে হয়েছে, ইস্, যদি এভাবে জলের ওপরই বসবাস করা যেতো! যদি তাই হয়, তাহলে বলা যায় চিন্তাটা অমূলক নয়।

ইতালিয়ান স্থপতি জিয়ানকার্লো জেমা পানির উপর বাড়ি তৈরির নতুন একটি নকশা করেছেন। ওয়াটার নেস্ট-১০০ নামের ভাসমান এ বাড়িটি সহজেই হ্রদ বা নদীর ওপর সংস্থাপন করা যাবে।

সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহৃত দুটি বেডরুম, লিভিং রুম, রান্নাঘর, স্নানঘর ও বারান্দা সমেত এ বাড়িটি চার সদস্যের পরিবারের জন্য বিলাসিতাই বলা চলে।

বিশাল গোলাকার এ বাড়ির মডেলটির ব্যাসার্ধ ৩৯ ফুট। বারান্দাসহ এক হাজার ৭৬ বর্গফুটের বাড়িটি ১৩ ফুট উঁচু।
স্থপতি জেমা জানান, ভাসমান এ বাড়ি তৈরির প্রেরণা জলজ পাখির বাসা।

লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, বিলাসবহুল বাড়িটি দেখে মনে হবে না যে এটির ৯৮ শতাংশ উপাদানই জল নিরোধক ও পূর্ণব্যবহারযোগ্য পুরোনো প্রক্রিয়াজাত উপকরণ যেমন, স্তরবিশিষ্ট কাঠের ফালি ও জাহাজের টুকরো দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

আকষর্ণীয় বাড়িটিতে রয়েছে অভ্যন্তরীণ প্রাকৃতিক বায়ু চলাচল ব্যবস্থা ও এয়ারকন্ডিশন।
স্নানঘর ও রান্নাঘরের ছাদে ছয়শো ৪৯ বর্গফুট ওপর ফটোভোল্টাইক প্যানেল সংস্থাপন করা হয়েছে যা প্রতি ঘণ্টায় চার কিলোওয়াট সৌরশক্তি উৎপন্ন করবে।

জেমার মতে, এই পরিমাণ সৌর বিদ্যুৎ বাড়ির সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালাতে সক্ষম।

নীলাভ ভাসমান বাড়িটি বসবাস ছাড়াও অফিস, রেস্তোরাঁ, দোকান কিংবা প্রদর্শনী হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। জানান জেমা।

ভাসমান এ বাড়ি ইচ্ছে হলে অর্ডার দিয়েও বানাতে পারেন। লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক ইকোফ্লোলাইফ কোম্পানি এ ধরনের ভাসমান বাড়ি তৈরি ও বিক্রির কাজে নিয়োজিত। জেমার নকশা করা ওয়াটার নেস্ট ১০০ এ কোম্পানির নতুন সংযোজন।

এসব বাড়ির দাম শুরু হয়েছে পাঁচ লাখ ইউরো বা প্রায় চার কোটি ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা থেকে আট লাখ ইউরো বা ছয় কোটি ৯৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পর্যন্ত।

বাড়িটি পানিতে সহজেই সংস্থাপন করা যাবে ও ধীরে ধীরে ভেসে বেড়াবে। বাড়িটি তৈরি করতে সময় লাগবে প্রায় এক বছরের মতো।

‘আমি ভোয়া ডাঃ’

vua doctorচট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে ভুয়া ডাক্তার হিসেবে ধরা খাওয়ার পর কথিত ডাক্তার তার নিজের নামে ছাপানো ব্যবস্থাপত্রের প্যাডেই লিখলেন তিনি এসএসসি পাসও করেননি। তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।
কথিত এই ডাক্তারের নাম সুজন দেবনাথ (আপন)। এই ডাক্তারের নিজ নামে ছাপানো প্যাডের ওপরে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা রয়েছে ডা. সুজন দেবনাথ (আপন), ডিএমএস, ঢাকা, মেডিসিন সহকারী, সার্জারিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, মা ও শিশুরোগে অভিজ্ঞ, জেনারেল ফিজিশিয়ান।

চট্টগ্রাম মহানগরীর সাগরিকা মুরগির ফার্ম এলাকায় রীতিমতো চেম্বার খুলে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন এই ভুয়া ডাক্তার। শনিবার দুপুরে তার চেম্বারে অভিযান পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাতেনাতে ধরেন। হাউমাউ করে কেঁদে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ক্ষমা চান সুজন দেবনাথ। ম্যাজিস্ট্রেটের জিজ্ঞাসাবাদে জানালেন তিনি এসএসসি পাসও করেননি। দুই মাস ধরে এই প্রতারণার ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।

ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন ভুয়া ডাক্তার আপনকে তার নিজের ছাপানো প্যাডে মুচলেকা দিতে বললেন। অতঃপর সেই ভুয়া ডাক্তার নিজের প্যাডেই একাধিক ভুল বানানে লিখে দিলেন মুচলেকা। ভুয়া ডাক্তারের দেওয়া মুচলেকার লেখাগুলো হুবহু

পাঠকদের জন্য প্রকাশ করা হলো-
‘আমি সুজন দেব নাথ (আপন) আমি এস, এস, সি পাশ করি নাই। আমি নামের সাথে মিথ্যা ডাঃ ডিগিরি কেরেছি। আমি একজন ভোয়া ডাঃ, আমি জনগনের সাথে প্রত্রারনা করিয়া আসিতেছি।’

এই মুচলেকা দেওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন ভুয়া ডাক্তার সুজন দেবনাথকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৯ (২) ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন এবং তার চেম্বারটি সিলগালা করে দেন।

এবার সেলফিতে বানর

selfie-banorrবিরল প্রজাতির একটি বানরের তোলা হাসিমুখের সেলফি নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। ওই ছবিটিই একটি বন্যপ্রাণী সম্পর্কিত বইয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। আর তাতে বানরের কপিরাইট লঙ্ঘিত হয়েছে দাবি করে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা করেছে বন্যপ্রাণীর অধিকার নিয়ে কাজ করা একটি সংস্থা।

এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। ইন্দোনেশিয়ার তাংগোকো রিজার্ভ দ্বীপে মুক্ত অবস্থায় বসবাস করে ছয় বছর বয়সী বিরল প্রজাতির ওই বানরটি। তার নাম নারুতো। বৃটিশ ফটোগ্রাফার ডেভিড স্ল্যাটারের ফেলে যাওয়া একটি ক্যামেরা দিয়ে ওই বানর নিজের হাসিমুখের সেলফিসহ, বেশ কয়েকটি ছবি তুলে।

পিপল ফর এথিক্যাল ট্রিটমেন্ট অব অ্যানিমলস বা (পেটা)’র দায়েরকৃত ওই মামলায় বলা হয়েছে, কথিত ওই বানর সেলফি নারুতো ক্যামেরা নিয়ে নাড়াচাড়ার ফলে উঠেছে। ফটোগ্রাফার স্ল্যাটারের এতে কোন ভূমিকা নেই। সুতরাং এ ছবির কপিরাইট নারুতোর (বানরের) প্রাপ্য। এ থেকে লাভবান হবার অধিকার তার রয়েছে।

মামলার ঘটনায় ‘হতবিহ্বল’ ফটোগ্রাফার স্ল্যাটার। তিনি মনে করেন, স্রেফ প্রচার পেতেই এ ধরনের মামলা করা হয়েছে। তিনি জানান, পেটা মামলার আগে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি বলে তিনি হতাশ। এক ইমেইল বার্তায় তিনি নিজেকে স্বল্প আয়ের ফটোগ্রাফার হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার বইয়ে আমি প্রাণীদের কিছু অধিকার থাকার কথা উল্লেখ করেছি। কিন্তু আমি একে কপিরাইট বোঝাইনি।

তিনি বলেন, পেটার উদ্দেশ্য আমাকে অপরাধী বানিয়ে ছাড়া। অথচ আমি প্রাণীদের ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, তাদের জন্য লড়ি। আমার ওপর এ ধরনের আক্রমণের সত্যিকার কারণ ভাবতে গিয়ে অবাক হয়েছি। পেটার মামলায় স্ল্যাটার, তার কোম্পানি ওয়াইল্ড লাইফ পারসোনালিটিজ ও ব্লার্ভ ইনকরপোরেশনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

১০৩ বছরেও কাজে ব্যস্ত ! (ভিডিওসহ)

103 years old women১০৩ বছর বয়সেও জন্মদিনে দিব্যি কেক কেটে অতিথি আপ্যয়ন সেরেছেন এক ভদ্রমহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়।

সম্প্রতি ভারতের সংবাদ মাধ্যম জি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ভদ্রমহিলার নাম মেরি কটার। তিনি মন্টক্লেয়ার সিনিয়র সেন্টারে রীতিমতো কাজ করেন।

এতে আরও জানানো হয়, মেরি সবাইকে নিজে হাতে পানি, চা, কফি এবং স্ন্যাক্স পরিবেশন করেন। আর সবার চাই তাকেই। মেরি হাতে করে কোনও জিনিস পরিবেশন করলে তার স্বাদই নাকি বদলে যায়।

এত দিন সুস্থ সবলভাবে বেঁচে থাকার রহস্য কী? এই উত্তর জানতে চাইলে, মেরির জবাব খুব সহজ সরল এবং পরিষ্কার। বললেন, ব্যস্ত থাকা। মানুষ কাজে যত ব্যস্ত থাকবে, ততই তার আয়ু বাড়বে।

ছেলেবেলায় খুব ভাল সাঁতারু ছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে বাচ্চাদের সাঁতারও শেখাতেন। তারও পর মানে নিজের ৯০ বছর বয়স পর্যন্তও মেরি সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের সাঁতার শেখাতেন। অর্থসূচক/

বিমানবন্দরের টিভিতে হঠাৎ পর্ন ছবি!

56934ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরের টেলিভিশন স্ক্রিনে আচমকা ভেসে ওঠা অশ্লীল ছবি দেখে চমকে উঠলেন যাত্রীরা। অস্বস্তিকর সেই পরিস্থিতির ভিডিও তুলে ইউটিউবে পোস্ট করলেন তাদেরই একজন।

পর্তুগালের ব্যস্ত লিসবন বিমানবন্দরের লাউঞ্জে বসে মাঝ রাতে মহা বিড়ম্বনায় পড়লেন অপেক্ষমান যাত্রীরা। ব্যাগেজ ক্যারাউজালে থাকা একটি টিভি স্ক্রিন, যেখানে বিমান চলাচলের খুঁটিনাটি তথ্য সরবরাহ করা হয়, সেখানে আচমকা শুরু হয়ে গেল পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনী। অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বহাল থাকল বেশ কয়েক মিনিট। এরপর এক বিমানবন্দর কর্মীর নজরে বিষয়টি পড়ায় হইচই শুরু হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হল টিভি সেটটি।

এদিকে গোটা ঘটনা নিজের স্মার্টফোন ক্যামেরায় রেকর্ড করে রেখেছিলেন এক যাত্রী। তিনিই ইউটিউবে বিমানবন্দরের ঘটনার ক্লিপিংস পোস্ট করে দেন। বলা বাহুল্য, কিছু ক্ষণের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় ভিডিওটি। দেখা গিয়েছে, অপেক্ষমান যাত্রীদের অনেকেই আড়ষ্ট ভাব কাটাতে হাসাহাসি করছেন।

লিসবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র জানিয়েছেন, টেলিভিশন সেটটি এক পর্তুগিজ বিনোদন চ্যানেলের সঙ্গে টিউনড হয়ে যাওয়াতেই বিপত্তি ঘটে।

ইয়াহু নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়। এই বিষয়ে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।

তবে তিনি কথা দিয়েছেন, ভবিষ্যতে এমন ভুল এড়াতে সতর্ক হবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৭ হাজার টাকায় ১৮ কেজির বোয়াল বিক্রি!

boal fishজেলের জালে ধরা পড়া ১৮ কেজি ওজনের বোয়াল মাছটি ১৭ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের কাছে শুক্রবার সন্ধ্যায় মাছটি বিক্রি করেন জেলে প্রবীর দাস।

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীর গুড়া খাওয়া নামক এলাকা থেকে গতকাল সন্ধ্যায় জেলে প্রবীর দাসের মুঠ (চটকা) জালে ধরা পড়ে বিশাল আকারের বোয়াল মাছটি। ৫ ফুট লম্বা বোয়াল মাছটির ওজন ছিল ১৮ কেজি।

জেলে প্রবীর দাস জানান, মুঠ জাল দিয়ে ঘাঘট নদীতে মাছ ধরার সময় হঠাৎ করে বোয়াল মাছটি তার জালে আটক পড়ে। প্রথমে ভেবেছিলেন মাছটি ১৫-১৬ কেজি হবে। কিন্তু ওজন করে দেখা যায় মাছটির ওজন ১৮ কেজি। মাছটি বিক্রি জন্য ২০ হাজার টাকা দাম হাঁকান তিনি। তবে স্থানীয় কয়েকজন মিলে ১৭ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।

এদিকে, মাছটিকে এক নজর দেখার জন্য উৎসুক মানুষ হৈহল্লা শুরু করেন। অনেকে মাছটি ক্রয় করতে জেলে প্রবীর দাসের সঙ্গে দর কষাকষি করেন। পরে প্রবীর দাসের বাড়ির উঠোনে মাছটি কেটে কেজি হিসেবে ভাগ করে নেন কয়েকজন।

কামারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল গণি জানান, বিশাল আকৃতির বোয়াল মাছটি ধরা পড়ার কথা শুনেছি। তবে দেখা হয়নি।

সাদুল্যাপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম নিশ্চত করে জানান, হয়ত বড় নদী থেকে বোয়াল মাছটি কোনোভাবে ঘাঘট নদীতে চলে এসেছিল।

ছবির ঝলক

0113471
Visit Today : 9
Visit Yesterday : 91
Total Visit : 113471
Hits Today : 49
Total Hits : 721382
Who's Online : 1

facebook